আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3390-এর লেভেল টেস্ট সেই করেছিল, যা আমার মতে পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। সেই কারণেই আমি এই পেয়ারের বাই পজিশন ওপেন করিনি।
গতকাল মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের প্রকৃত ও প্রত্যাশিত ফলাফলের মধ্যে তীব্র অসামঞ্জস্যতার বিষয়টি ট্রেডিংয়ের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছে এবং মার্কিন ডলারকে দুর্বল করেছে, অন্যদিকে কংগ্রেসে কেভিন ওয়ার্শের প্রথম বক্তব্যের সাথে সাথে এই প্রতিবেদনের প্রভাব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির মাসিক হার বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল: প্রত্যাশিত ০.১ শতাংশ হ্রাসের পরিবর্তে মূল্যস্ফীতি ০.৪ শতাংশ কমেছে, যেখানে মে মাসে ০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির এই ধরনের লক্ষণীয় হ্রাস ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার সম্ভাবনাকে দুর্বল করে দিয়েছে এবং মার্কিন ডলারকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে।
আজ যুক্তরাজ্যে তেমন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশিত হবে না, যার ফলে পাউন্ডের নিজস্ব কোনো চালিকাশক্তি থাকবে না, যা এটিকে বাহ্যিক পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল করে তুলেছে। তবে, মুদ্রানীতি কমিটির সদস্য হিউ পিলের বক্তব্য বেশ উল্লেখযোগ্য, কারণ তার মন্তব্য এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের প্রধান উৎস হয়ে উঠতে পারে। অনুকূল বাহ্যিক পরিস্থিতিতে, ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, যা গতকালের পুনরুদ্ধারের প্রবণতাকে অব্যাহত রাখবে। তবে, এই মুভমেন্টের স্থায়িত্ব অনেকাংশে পিলের বক্তব্যের ওপর নির্ভর করবে, কারণ আরও হকিশ বা কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে তা ব্রিটিশ মুদ্রাকে সহায়তা করবে, অন্যদিকে সতর্ক অবস্থান পাউন্ডের দরপতন ঘটাতে পারে। বক্তৃতার আগে, সামগ্রিক ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা এবং ডলারের মূল্যের মুভমেন্টের প্রভাবে সম্ভবত GBP/USD পেয়ারের মূল্যের সতর্ক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকবে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত পরিকল্পনা নং 1 ও নং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3450-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3425-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ডের লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3450-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজকের বক্তব্যে পিল কঠোর অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দিলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3403-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ডের লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3425 এবং 1.3450-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3403-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ডের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3370-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হলে পাউন্ডের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের সেল পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3425-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ডের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3403 এবং 1.3370-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।